আপনি কি বেশি খুঁতখুঁতে?

বারবার হাত ধোয়া, ঘর থেকে বেরিয়ে চুলা নেভানো হয়েছে কি না—তা দেখতে আবার ঘরে ঢোকা, খাওয়ার আগে ধোয়া প্লেট বা গ্লাস আবার ধোয়া—কখনো কখনো কারও মধ্যে এ রকম একই চিন্তা, অনুভূতি বা কাজের ইচ্ছা থাকে। তৈরি হয় উৎকণ্ঠা আর তীব্র মানসিক চাপ। জীবনকে করে তোলে বিষময়। আক্রান্ত ব্যক্তি এসব চিন্তা, অনুভূতিকে দমন করতে চায়, এড়িয়ে চলতে চায়। এ জন্য একই কাজ বারবার করতে শুরু করে। মানসিক স্বাস্থ্যের এই সমস্যার নাম অবসেসিভ কম্পালসিভ ডিসঅর্ডার (ওসিডি), যা সাধারণ পরিচ্ছন্নতা বা সাধারণ গুছিয়ে রাখার প্রবণতার মতো নয়, তার চাইতে অনেক বেশি, যেটি রীতিমতো রোগের পর্যায়ে পড়ে।

এই চিন্তা ও আচরণ মনের মধ্য থেকেই তৈরি হয়। রোগী নিজেও বুঝতে পারে যে এগুলো ভিত্তিহীন বা অযৌক্তিক, কিন্তু তা–ও চিন্তাটা সরাতে পারে না। এগুলোর পেছনে প্রতিদিন অনেক কর্মঘণ্টা নষ্ট হয়। কাজকর্মও ব্যাহত হয়। শরীর নোংরা হওয়ার ভয়, অহেতুক সন্দেহ, কোনো অমূলক শারীরিক সমস্যা নিয়ে চিন্তা, সবকিছুর মধ্যে নিখুঁত সামঞ্জস্য তৈরি করার ভাবনা, বিনা কারণে উত্তেজিত হয়ে যাওয়া, অস্বাভাবিক ও অতিরিক্ত যৌন চিন্তা, ধর্মীয় বিষয়ে অস্বাভাবিক চিন্তা, বারবার একই জিনিস পরীক্ষা করা (দরজা বন্ধ কি না, তা অনেকবার দেখা), অসংখ্যবার হাত ধোয়া, বেশি সময় ধরে গোসল করা বা বাথরুমে থাকা, কোনো কিছু বারবার গোনা (অনেকবার টাকা গুনে দেখা), একই প্রশ্ন বারবার করা, সবকিছু নিখুঁতভাবে সাজিয়ে রাখার চেষ্টা করা, প্রয়োজনীয়-অপ্রয়োজনীয় সবকিছু সংগ্রহে রাখা অর্থাৎ পরে কাজে লাগতে পারে ভেবে অপ্রয়োজনীয় বস্তুটিও ফেলে না দেওয়া ইত্যাদি হচ্ছে ওসিডির সাধারণ লক্ষণ। ওসিডি দমন করতে না পেরে আগ্রাসী আচরণ বা অত্যধিক রাগ হতে পারে কারও কারও।
পরিবারের কেউ এমন আচরণ করলে হেসে উড়িয়ে দেওয়ার কিছু নেই। ভাববেন না যে ও তো এ রকমই, একটু বেশি শুচিবায়ু বা খুঁতখুঁতে।

ওসিডি একটি রোগ এবং এর সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা রয়েছে। চার থেকে আট সপ্তাহের মধ্যে ওষুধের প্রভাবে কিছুটা উন্নতি দেখা দিতে পারে। তবে পুরোপুরি ফল পেতে অপেক্ষা করতে হয় কয়েক মাস। ওষুধের পাশাপাশি ধারণা ও আচরণ পরিবর্তনকারী চিকিৎসা (কগনিটিভ-বিহেভিয়ার থেরাপি) এ রোগের জন্য বিশেষ কার্যকরী।

উৎস: প্রথম আলো

Advertisements

Regular Expression

A regular expression is a system used in programming for pattern matching. 
It could be used to text search and replacing. 

/./ Matche each and every single character

/\d+/ Matche any kind of digit one or more

/\w/ Matche anything a-z, 0-9, _

/\s/ Matche every space

/[a-z]+[3-9]+/ Character Set for matching
	example:
		coal547
		goal254		
		Boal
		Poal

/(\.in)?/ Basically it's for optional. Question mark to check whether 
it is or not of the preceding token


Look Around:
------------
? mark is not going to include in the result
= sign is going to match
! sign is not going to match

	example: Lookbehind
		price is $500
		price is €600
		(?<![$])(?<=€)\d+	
		(?<=€)   Positive Lookbehind
		(?<![$]) Negative Lookbehind
	
	example: Lookahead	
		sharthak.com
		harpikpandy.ru
		[a-z]+(?=\.com)
		(?=\.com) Positive Lookahead
		[a-z]{11}(?!\.com)
		(?!\.com) Negative Lookahead


Anchors:
--------
/com$/    $ match at last of the line
/^com/    ^ match at starting point of the line
/com\b/   b/ boundary of the line. it's serach for starting and the end

	example:
		google.com
		com.googula.name


Sublime 3


Multiple Same Word Selection:
-----------------------------
select and then ctr+d
 or 
ctr + mouse click 


Code Formating:
---------------
	Menually: Edit > Line > Reindent

	For key set:
		Preferences > key bindings
			[
				{
					"keys" : ["ctrl+shift+r"],
					"command" : "reindent"
				}
			]
	
	or

	when you paste something just do:
	ctrl+shift+v


Sublime Package:
----------------
ctr+shift+p
Install Package
	1. Emmet package
	2. SideBarEnhancements
	3. All AutoComplete
	4. Syntax Highlighting for Sass
	5. CodeFormatter

	
Amazing Emmet for Sublime. Just do it and hit the tab
.container>.row>table.table>(thead>th*3)+(tbody>tr*3>td*3)


Laravel Package:
----------------
ctr+shift+p
Install Package
	1. Blade Snippets
	2. Laravel Blade Highlighter


	
Wordpress Package:
----------------
ctr+shift+p
Install Package
	1. WordPress
	2. WooCommerce Autocomplete
	
	

JQuery Package:
---------------
ctr+shift+p
Install Package	
	1. JQuery


রিফ্রেশমেন্ট হিসেবে ফেসবুকে ঢুকি

দুই-তিন ঘণ্টা টানা পড়াশোনা করার পর রিওয়ার্ড বা রিফ্রেশমেন্ট হিসেবে ফেসবুকে ঢুকি। ফেসবুকে আসলে কী থাকে? কে বিয়ে করল, কে বিরিয়ানি রান্না করল, কে বেড়াতে গেল, কার ছবিতে কে কি কমেন্ট করলো, সেই সব পোস্ট আর ছবি। এই যে, আমাদের মস্তিষ্ক এতক্ষণ ধরে যে পড়াশোনা করেছে সেটা ঘুমের মাধ্যমে মস্তিষ্কে স্মৃতিতে জমা হয়। কিন্তু ঘুমানোর আগে এই যে, কে হানিমুন করল, কার বাচ্চা হলো বা কে কক্সবাজারের ছবি দিল, এই সব দেখে ঘুমাতে গেলে মস্তিষ্ক শেষ এবং ঘুমের ঠিক আগের কার্যক্রমগুলো সারা রাত ঘুমের মধ্যে প্রসেস করে বা স্টোর করে। পরদিন যদি পরীক্ষা থাকে তাতে আমরা এ রকম অনুভব করি যে, ধুর গতকাল রাতেই না পড়লাম, এখন মনে পড়ছে না কেন? নিজেরা হীনমন্যতায় ভাবতে থাকি আমার স্মৃতি খুব খারাপ কিছুই মনে থাকে না। কিন্তু আসলে তা নয়। তাহলে মিতা রিতার বিয়েতে কী রঙের লেহেঙ্গা পড়েছিল, সেই স্কুলে ছোটবেলায় বন্ধুদের সঙ্গে কী করেছেন সেটা কীভাবে মনে থাকে?

পড়াশোনার সঙ্গে কল্পনা বা ইমাজিনেশনের সংযোগ থাকলে পরবর্তীতে মনে রাখা সহজ। এ জন্যই গ্রুপ স্টাডিতে মনে রাখা সহজ একা একা দরজা বন্ধ করে পড়ার থেকে। মস্তিষ্ক ও স্মৃতিশক্তির কার্যক্ষমতাকে বাড়াতে ও ঠিকঠাক ধরে রাখতে খুব ভালো ফ্রেশ ঘুম দিয়ে উঠলে যেরকম ভালো অনুভূতি হয়, সেটা রাত তিনটা অবধি জেগে থেকে কখনো হতে পারে না। এ জন্যই গুরুজনরা বলেছেন: early to bed and early to rise makes a man healthy wealthy and wise

অন্ধকার ঘরের মোবাইলের নীল আলো যেটা মেলাটনিন হরমোনের সঙ্গে মস্তিষ্ককে দিনের আলোর মতো অনুভূতি দেয়। যে কারণে কাগজের বই পড়তে গেলেই ঘুম আসে, ক্লান্ত লাগে। কিন্তু মোবাইলের নীল আলোতে সারা রাত স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে কোনো কিছু পড়লে বা দেখলে ঘুম আসে না। বরং ঘুম পালিয়ে যায়।

ফেসবুকে কে চাকরি পেল সেই পোস্ট থাকলেও, কে ফেল করল সেই পোস্ট থাকে না। জামাই বউয়ের হানিমুনের রোমান্টিক ছবি থাকে। কিন্তু কতবার ঝগড়া করে সেই ছবি থাকে না। এতে নিজদের ভেতর একটা দুঃখ অনুভূত হতে থাকে। যে সবাই কত কী করে, কত জায়গায় বেড়াতে যায়, কত কী খায়, কিন্তু আমার লাইফ কত বোরিং। কিন্তু বাস্তবতা হলো, যিনি খুব একটা সুখী সুখী ইমেজ ফেসবুকে দিয়ে রাখেন, তিনি হয়তো খুব ভালো অভিনয় করেন। আসলে তিনি সুখী না, বরং আপনি অনেক ভালো আছেন। যাই হোক, এ রকম একটা দুঃখী দুঃখী অনুভূতি বা মন খারাপ ঘুমের জন্য সুখকর নয়। ফলে ঘুমের আগে মস্তিষ্ক অবচেতনে ইনার চ্যাট শুরু করে নিজের চাওয়া পাওয়া নিয়ে।

স্মার্টফোনের ইতিবাচক সব দিক আমরা সবাই জানি। নেতিবাচক দিকগুলো বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই অগ্রাহ্য করি। এভাবে আমাদের এনার্জি, মনোযোগ, সময়, স্মৃতি, মনে রাখার ক্ষমতা সব বিচ্ছিন্ন বিক্ষিপ্ত ক্লান্ত হয়ে আমাদের কার্যকারিতা বা প্রোডাকটিভিটি কমে যাচ্ছে।

শিশুদের মানুষিক বিকাশে এর যেমন নেতিবাচক প্রভাব ফেলে তেমনি বড়দের জীবনে এই নেশা সিগারেট বা আফিমের থেকে ক্ষতি কম নয়।

উৎস: প্রথম আলো

Git Problem Face

<!-- git error: failed to push some refs to --> 

git pull --rebase origin master
git push origin master

<!-- ============================================= -->

<!-- git error: -->
Another git process seems to be running in this repository, e.g.
an editor opened by 'git commit'. Please make sure all processes
are terminated then try again. If it still fails, a git process
may have crashed in this repository earlier:
remove the file manually to continue.

<!-- solve: -->
Try deleting index.lock file in your .git directory.

rm -f .git/index.lock


<!--Merge conflicts resolving:-->
git push -f origin master.


জীবনসঙ্গী নির্বাচনের ক্ষেত্রে যে বিষয়গুলো চিন্তা করা উচিত

‘দোস্ত, মেয়েটার কণ্ঠ যে কি জোশ! জাস্ট ওয়াও!! ….. মনে হয় এই কন্ঠ শুনেই আমি সারাটা জনম কাটিয়ে দিতে পারবো……’

‘আরে শোন, তুই জানিস না। মেয়েটা দেখতে এত্তো সুন্দরী যে, ওর দিকে অপলক তাকিয়ে থেকে আমি আমার জীবন পার করে দিতে পারবো।’

জীবনে যেসব বন্ধুদের কাছে এরকম মধুমাখা, আতিশয্যে ভরা, অতি মাত্রায় আবেগী কথাবার্তা শুনেছি, তাদেরকে বলেছি- কারো সুন্দর কন্ঠই যদি তোর জীবনের সবকিছু হয়, তাহলে এক কাজ কর, কাস্টমার কেয়ার কিংবা এফ.এম রেডিও তে যারা জব করে, সেরকম কোন মেয়েকেই বিয়ে কর। বেশি কিছু তো আর চাওয়া নেই তোর। খালি মধুর কন্ঠ হলেই হয়।

দ্বিতীয়জনকে বলেছিলাম- চেহারার সৌন্দর্যই যদি তোর কাছে সব হয়, তাহলে ফ্যাশন শো করে বেড়ায় এরকম কাউকে বিয়ে করে ফেল। ব্যস! চেহারা দেখতে দেখতে ঘুমিয়ে যাবি, আবার ঘুম থেকে উঠেই চেহারা দেখতে বসে যাবি। আর তো কিছু চাই না।

অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখলাম, যারাই ‘জোশ কন্ঠ’ আর ‘চাঁদের মতো দেখতে’ ক্রাইটেরিয়া প্রাধান্য দিয়ে বিয়ে করেছে, বিয়ের কিছুদিন পর তাদের সেই জোশ কন্ঠ ‘কর্কশ কন্ঠে’ এবং চাঁদমুখ ‘পেঁচামুখে’ পরিণত হতে খুব বেশিদিন লাগে না। এর কারণ কী? এর কারণ হলো আবেগ। আর আবেগ সর্বদা ক্ষণস্থায়ী। মোহ কেটে গেলে মনে হবে সব বিস্বাদ।

যারা বিয়ের আগে ‘প্রেম-ভালোবাসায়’ বিশ্বাসী, তারা তাদের প্রিয়তমার সেজেগুঁজে, খোপায় ফুল দেওয়া রূপটাই দেখে। সকালে ঘুম থেকে জাগার পরে তার পেত্নীর (কেউ আঘাত পেলে দুঃখিত) মতো রূপটা বিয়ের আগে দেখার তো বেচারার সৌভাগ্য হয় না। আবার, সেই প্রিয়তমারা তাদের প্রিয়তমদের জিন্স, শার্ট আর সানগ্লাসে মোড়ানো অবয়বের সাথেই পরিচিত। নিজের রুমটাকে গোয়ালঘর বানিয়ে রাখার অভ্যাসটা তো এরা দেখে বিয়ের পরেই। সুতরাং, বিয়ের পর যখন মোহ কেটে যায়, তখন আফসোস করে বলে,- ‘কি এক জাহানাম্মের ডিব্বায় আইসা পড়লাম রে….’

যারা এসব অবৈধ সম্পর্কের ধার ধারেনা, সুন্নাহ মেনে বিয়ে করে, তাদের কাছে তাদের প্রিয়তম বা প্রিয়তমার দুই রূপটাই নতুন। তাই কারো মধ্যে কোনরকম আফসোস কাজ করেনা। এখানে মোহ কেটে যাবার পরেও বাড়তি একটা জিনিস থেকে যায়। সেটা হলো- ভালোবাসা।

কাউকে বিয়ে করার জন্য তার মধ্যে দ্বীন দেখাটা অবশ্যই ফরজ। কিন্তু, শুধুমাত্র ‘দ্বীন’ দেখেই কাউকে হুট করে বিয়ে করে বসাটা আমার মতে ঠিক নয়। জীবনসঙ্গী নির্বাচনে দ্বীনের পরে আরো বেশকিছু জিনিস দেখতে হবে। এরমধ্যে যেটা সবার আগে সেটা হলো- সাইকোলজি। এই সাইকোলজি এমন একটা জিনিস, যেটার কম্বিনেশন না হলে পুরো বৈবাহিক জীবনে পস্তাতে হবে।

যায়েদ (রাঃ) এবং জয়নব (রাঃ) এর মধ্যকার বিয়ের কথাই চিন্তা করুন। তাদের মধ্যে কী দ্বীনদারির কোন অভাব ছিলো? তবুও কেনো তাদের ডিভোর্স হয়?

এরকম ইমম্যাচিউর (বয়সের দিক থেকে) প্র্যাকটিসিং আপুরা হুটহাট বিয়ের ডিসিশন নিয়ে ফেলেন। আগ-পিছ কিছু ভাবেন না। ফলাফল হয় কী, বিয়ের পরে এসে দেখে স্বামীর পরিবার, চারপাশের পরিবেশ, আর্থিক অবস্থার সাথে উনি মানিয়ে নিতে পারছেন না, অথবা মানিয়ে নিতে হিমশিম খাচ্ছেন। এক্ষেত্রে ধৈর্য্য ধরতে পারলে তো আলহামদুলিল্লাহ্‌, কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রে নতুন নতুন দ্বীন প্র্যাকটিস করা আপুরা এই ধাক্কাটা সামলে উঠতে পারেন না। ফলে, ভুল বুঝেন নিজের স্বামীকে। একটা পর্যায়ে গিয়ে ডিভোর্স চান। ফলাফল- দু দু’টো জীবন হতাশার মধ্যে ডুবে যাওয়া।

নতুন নতুন দ্বীনে আসা ভাইয়া এবং আপুদের বলবো, বিয়ের ক্ষেত্রে সময় নিন। চিন্তা করুন। নিজেকে প্রশ্ন করুন- আপনি যে পরিবেশে যাচ্ছেন, তার সাথে সমস্ত অবস্থায়, সমস্ত প্রতিকূলতায় মানিয়ে নিতে পারবেন কী? সবর করতে পারবেন কী? আপনি যে পারবেন, তা কি নিছক আপনার মুখের কথা না অন্তরের বিশ্বাস? আপনি আবার অন্য কারো জীবনকে ‘অনিশ্চিত’ গন্তব্যে ঠেলে দিচ্ছেন না তো?

How to create virtual host in local machine

xampp > apache > conf > extra > httpd-vhosts.conf
line 20 you can see ##NameVirtualHost *:80
just remove ##
then add following code in 27 line

<VirtualHost *:80>
	DocumentRoot "e:/xampp/htdocs/folderName/public"
	ServerName folderName
</VirtualHost>	

then notepad Run as administrator file > open > (c:) > Windows > 
System32 > drivers > etc > hosts
add this
127.0.0.1 folderName

then restart xampp server Apache

now you can see http://folderName

সুখে থাকতে ভূতে কিলায়!

১. দেলোয়ার সাহেবের চলছিল ভালোই। বহুজাতিক কোম্পানির বড় চাকুরে। স্ত্রী-সন্তান নিয়ে সুখের সংসার। অফিসের গাড়ি। সুন্দর ফ্ল্যাট। কোথাও কোনো খামতি নেই। কিন্তু তিনি চাইলেন তাড়াতাড়ি আরেকটু এগিয়ে যেতে। দু-একজন বন্ধুর পরামর্শে একটি ব্যবসায় কিছু টাকা লগ্নী করলেন। ছয় মাসের মাথায় আশাতীত লাভ। এরপর তিনি ব্যাংকের সমস্ত সঞ্চয় আর এর সঙ্গে অফিস থেকে বেশ কিছু টাকা অগ্রিম নিয়ে বড় অঙ্কের টাকা লগ্নী করলেন একই ব্যবসায়। কিন্তু এবার বিপদেই পড়ে গেলেন। পুরোটাই ক্ষতি। তার ওপর তিনি দেখলেন বন্ধুরা ব্যবসার কাগজপত্র বন্ধক নিয়ে ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছিল, সেই ‘বন্ধু’রা এখন লাপাত্তা। অফিসের অগ্রিম শোধ আর ব্যাংকের দেনা মেটাতে গিয়ে তিনি প্রায় কপর্দকশূন্য। বিষণ্নতায় আক্রান্ত হয়ে নিজেকে সবকিছু থেকে গুটিয়ে নিয়েছেন, স্ত্রীর সঙ্গেও সারাক্ষণ খিটমিট লেগে থাকে।

২. সানিয়ার সমস্যাটা একটু অন্য রকম। বিয়ের বয়স ছয় বছর। স্বামী ব্যবসায়ী। বছর চারেকের একটি মেয়ে আছে তাঁদের। স্বামী-সন্তানের সঙ্গে দারুণ সম্পর্ক সানিয়ার। মাঝখানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক ছেলের সঙ্গে পরিচয় হলো সানিয়ার। সাধারণ কুশল বিনিময় দিয়ে শুরু। এরপর ছেলেটির সঙ্গে তিনি জড়িয়ে পড়লেন প্রেমের সম্পর্কে! স্বামী যখন বিষয়গুলো জানতে পারলেন, তা নিয়ে সংসারে কুরুক্ষেত্র। দুজনের বিচ্ছেদ হয় হয় প্রায়। সানিয়া দুই-দুবার ঘুমের ওষুধ খেয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলেন।

দেলোয়ার আর সানিয়ার মতো সমস্যা অনেকেরই হয়। সুখী জীবনে তাঁরা একঘেঁয়ে বোধ করেন। আরও সুখ, বৈচিত্র্যময় সুখের খোঁজে ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিজেকে জড়িয়ে ফেলেন। শেষমেশ যেটুকু সুখ ছিল, তা-ও হারিয়ে ফেলেন তাঁরা।

সুখে থাকলেও বিভিন্ন কারণে মানুষের মনে অতৃপ্তি ভর করতে পারে। কখনো দেখা যায় চারপাশের নেতিবাচক মানুষেরা বুঝতেই দিচ্ছে না যে আপনি আসলে সুখে আছেন, শান্তিতে আছেন। তাঁরা আপনার ‘আছে’টাকে আড়াল করে ‘নাই’টুকুকে ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে বড় করে দেখান। এই নেতিবাচক চিন্তার মানুষদের কারণে আপনি মনে করতে পারেন, ‘আরে, আমি তো সুখী নই।’ তখন আরও সুখ খুঁজতে গিয়ে বিপত্তি দেখা দেয়। আবার কখনো নিজের প্রকৃত জীবনকে আরেকজনের ‘বিজ্ঞাপিত’ জীবনের সঙ্গে তুলনা করে কেউ কেউ সুখহীনতায় ভোগেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রত্যেকেই নিজের আলোকিত দিকটি তুলে ধরেন, সফলতার বয়ান করেন, হাস্যোজ্জ্বল ছবি দেন। সেগুলো দেখে একজন সুখী মানুষ (যাঁর জীবনে সফলতা-ব্যর্থতা দুই আছে) ভাবেন, ‘আহা! অন্যরা আমার চাইতে কত সুখে আছে।’ কারণ তিনি তো ওই বিজ্ঞাপিত তথাকথিত সুখী মানুষের ব্যর্থতাটা জানেন না। এ সময় তিনি সেই হঠকারী বিষয়ে যুক্ত হয়ে আরও সুখী হতে চান। দিন শেষে ‘অসুখ’ তাঁদের ঘিরে ধরে।

ব্যক্তিত্বের একটি ধরন আছে, যাকে বলা হয় ‘টাইপ-এ’। তাঁরা সহজে তৃপ্ত হন না, সবকিছুতেই সেরা, সবার আগে থাকার বাসনা তাঁদের সুখগুলোকে কেড়ে নেয়। কোনো কারণে যদি কেউ নিজেকে গুটিয়ে রাখেন, একা হয়ে যান, তখন তিনি বুঝতে পারেন না যে আসলেই সুখে আছেন। একধরনের অস্তিত্বের সংকটে ভোগেন, লক্ষ্য স্থির করতে পারেন না। সুখ নামক সোনার হরিণের পেছনে ছুটতে ছুটতে নিজের অর্জন করা সুখগুলো পথে-ঘাটে হারিয়ে ফেলেন।

সুখের সংজ্ঞা বুঝতে যখন অসুবিধা হয়, তখন তিনি সুখে থেকেও নিজের অন্তর্দৃষ্টির অভাবে অসুখী বোধ করতে থাকেন। কখনো কৌতূহলের বশে, একটু সাময়িক মজা পেতে ঝুঁকিপূর্ণ আচরণ করে ফেলেন, যা তাঁর সুখকে নষ্ট করে দেয়।

কারও মধ্যে সুখী হওয়ার সব উপাদান থাকার পরও যদি তাঁর আবেগ, সময় আর সম্পদের ওপর যথেষ্ট নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে না পারেন, তখন তিনি নিজেকে অসুখী মনে করেন। তাঁর আবেগের অস্বাভাবিক প্রকাশ ঘটে, সময়ের সদ্ব্যবহার করতে পারেন না আর সম্পদের অপচয় করেন। নিজেকে সুখী থেকে অসুখীতে পরিণত করে ফেলেন।

কোনো ধরনের হঠকারী সিদ্ধান্ত আর ঝুঁকিপূর্ণ আচরণ করে নিজের সুখটুকু নষ্ট করবেন না। আপনি যে সুখে আছেন, বিষয়টি বুঝতে পারাও একটা গুণ। এই গুণে গুণান্বিত হয়ে আপনি সুখে থাকুন, আশপাশের সবাইকেও সুখে রাখুন।

সুখের মধ্যে ‘ভূতের’ উপদ্রব থেকে কীভাবে রক্ষা পাবেন

১. নিজের লক্ষ্য স্থির রাখুন। ঘন ঘন জীবনের মোড় পরিবর্তন করার চেষ্টা করবেন না।

২. পরিবারকে সময় দিন। প্রিয়জনের সঙ্গে প্রতিদিন গুণগত সময় কাটান। পাশাপাশি প্রতিদিন একটু করে নিজেকে সময় দিন।

৩. আপনার আশপাশে যদি নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির মানুষ বেশি থাকে, তবে তাদের এড়িয়ে চলুন। মলিন, বিষাদময় আবেগাক্রান্ত মানুষের দ্বারা প্রভাবিত হবেন না।

৪. যে বিষয়টি সম্পর্কে আপনার স্বচ্ছ ধারণা নেই, সে বিষয়ে শ্রম বা অর্থ বিনিয়োগের আগে বিশদভাবে জানুন।

৫. আরেকজনের সুখের সঙ্গে নিজেকে কখনোই তুলনা করবেন না। আপনি হয়তো তার অসুখী জীবনের গল্পটাই জানেন না।

৬. একা থাকার অভ্যাস ছাড়ুন। উজ্জ্বল, প্রাণোচ্ছল মানুষের সান্নিধ্যে বেশি বেশি থাকার চেষ্টা করুন।

৭. নিজের ভেতরে যেসব গুণ আছে, আপনার জীবনের সেই মুক্তোদানাগুলো খুঁজে বের করুন। নিজের গুণের চর্চা করতে থাকুন।

৮. আত্মসমালোচনা করুন, কিন্তু কখনোই আত্মগ্লানিতে ভুগবেন না। মাথা উঁচু করে বাঁচুন। সততা আর নৈতিকতাকে জীবনে সুখী থাকার অন্যতম উপাদান হিসেবে যুক্ত করুন।

৯. খুব বেশি পেছনে ফিরে তাকাবেন না। মনে রাখবেন, আমাদের চোখ দুটো সামনে। সব সময় সামনের দিকে তাকাবেন। বর্তমানকে উপভোগ করবেন আর আগামী নিয়ে স্বপ্ন দেখবেন।

১০. সফলতার মতো ব্যর্থতাও যে জীবনের এক অনুসঙ্গ, তা বুঝতে শিখুন। ব্যর্থতাকে মেনে নেওয়ার চর্চা করুন।

১১. যেকোনো ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ আচরণ (যেমন অযাচিত-অবাঞ্ছিত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়া, মাদকের নেশা, ফাটকা ব্যবসা, জুয়া ইত্যাদি) এড়িয়ে চলুন।

১২. শিশুদের ভালোবাসুন। আপনার সন্তানসহ সব শিশুকে ভালোবাসতে শিখলে সুখ আপনাকে ধরা দেবেই।

উৎস: প্রথম আলো

সুখী থাকার ১০টি সহজ উপায়

১. নেতিবাচক চিন্তা আর নয়
আগামীকাল পরীক্ষা আর আজ রাতে আপনার মনে ভিড় করল হাজারো দুশ্চিন্তা, যার অধিকাংশই নেতিবাচক। খুব সহজ ভাষায় এ ধরনের চিন্তা থেকে নিজেকে দূরে রাখুন। শুধু এমন চিন্তাই নয়, নেতিবাচক মানুষ এবং আলোচনা থেকেও সরে আসুন। কেননা, আপনার পরিধি নিজেই বুঝবেন, অন্যের কথায় সহজেই প্রভাবিত হওয়ার কিছু নেই।

২. নিজেকে অন্যের সঙ্গে তুলনা না করা
‘ওর ওটা আছে, আমার নেই কেন’—এ ধরনের চিন্তা আপনার নিজ মানসিক শক্তিকেই কমিয়ে দেয়। এমনকি দীর্ঘ মেয়াদে আপনার মধ্যে হতাশা কাজ করবে। তাই মনে রাখুন, সবার প্রতিভা এক নয়। কারও হয়তো পড়াশোনায় মেধা আছে, আবার কারও খেলাধুলায়। তাই চেষ্টা করুন নিজের প্রতিভাকে বিকশিত করার।

৩. ইতিবাচক থাকুন
আপনি কাজটা যেভাবে করবেন, তার ফলটাও সে রকমই হবে। এটা মাথায় রেখেই কাজে লেগে পড়ুন। শেষ বিকেলে কী হবে তার জন্য চিন্তা না করে নিজেকে আশ্বাস দিন। প্রতিটি ঘটনারই দুটি দিক থাকে—ইতিবাচক ও নেতিবাচক। চেষ্টা করুন সব সময় ইতিবাচক দিকগুলো খুঁজে বের করার। এর ভালো দিকটা আপনি নিজেই দেখতে পাবেন।

৪. ঠিকমতো খাবার ও ঘুম
শরীর ও মন একটি আরেকটির ওপর নির্ভরশীল। তাই একটি নির্দিষ্ট রুটিন অনুযায়ী চলার চেষ্টা করুন। যেমন পরিমিত পরিমাণে খাবার ও ঘুম। এ ছাড়া প্রতিদিন সকালে কিংবা সন্ধ্যায় শারীরিক ব্যায়াম বা ইয়োগা করতে পারেন। এতে দুশ্চিন্তা অনেকটাই লাঘব হয়।

৫. নিজেকে ভালোবাসুন
সবার আগে নিজেকে ভালোবাসতে শিখুন। সময় বরাদ্দ রাখুন কিছুটা নিজেরও জন্য। আপনার প্রিয় মানুষটি কাছে নেই? আপনি নিজেই ব্যস্ত হয়ে পড়ুন না! ঘুরে আসুন কোথাও কিংবা শখের বিষয়গুলো চর্চা করুন। কিংবা পরিবারের সবার জন্য কিছু একটা রান্না করে ফেলুন ঝটপট।

৬. পরিবার ও বন্ধুর সঙ্গে সময় উপভোগ
বন্ধুমহল কিংবা পরিবারের সঙ্গে সময় কাটান। তাদের সঙ্গে আলোচনা করুন। এতে দুই পক্ষই খুশি হবে। এমন অনেক ব্যাপার থাকে, যা আমরা প্রিয় মানুষটির চেয়ে বন্ধুটির কাছে প্রকাশ করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি। তাই কিছুটা সময় বন্ধু মানুষটির সঙ্গে বেড়িয়ে আসুন।

৭. কিছু বিষয়কে যেতে দিন
সব কাজেই যে প্রথম হতে হবে এমন চিন্তা ঝেড়ে ফেলুন। প্রতিটা কাজেই সময় নিয়ে চিন্তা করুন এবং মনে করুন, ‘সামনে ভালো কিছু অপেক্ষা করছে।’

৮. কৃতজ্ঞ থাকুন
দিন শেষে যখন নীড়ে ফিরবেন, তখন চিন্তা করুন আপনি কতটা সফল। অনেকেই আছেন, ঠিক আপনার জীবনটাই পাওয়ার জন্য সংগ্রাম করে যাচ্ছেন।

৯. অন্যের প্রতি সহযোগিতা
অনেকেই পাশের মানুষের ব্যবহারে কষ্ট পেয়ে থাকেন। কিন্তু ভেবে দেখার চেষ্টা করুন, সেই মানুষটি কেন এমন করেছেন। সমানুভূতি থেকেই এমনটি করা সম্ভব। তাই সব সময় নিজের ব্যাপারগুলো না দেখে অন্যদের সমস্যাগুলোও বোঝার চেষ্টা করুন।

১০. আস্থা রাখুন নিজের ওপর
যত যাই হোক, নিজেকে বোঝার ক্ষমতা আপনারই আছে। সব নেতিবাচকতা এড়িয়ে নিজেকে অভয় দিন, ‘দিন শেষে আমিই জয়ী!’

উৎস: প্রথম আলো